বাণী কনিকা

স্বীয় পরিচায়ক বাণী

১. তুমি মরতে চাইলে কি মরতে পার ? তুমি যে কার সে খবর কি রাখ ? তোমার এক পা নরিবার ক্ষমতা নাই । সর্ব্বশক্তিমান ব্রজানন্দ সেই একমাত্র নিয়ন্তা ও সর্ব্ব নির্ব্বাহ কর্ত্তা । তুমি তাঁর হাতের পুতুল মাত্র ।
২.ভক্তযেআমারপ্রাণেরপ্রাণ । আমিকখনওভক্তকেহারাইনাভক্তওআমাকেহারায়না ।
৩. আমারকৃপারফোয়ারাতোছুটাইয়াইরেখেছি । ইচ্ছামতপানকরিয়ালইলেইহয় । তুমিআমারস্মরণলইয়াথাক।
৪. মুক্তাত্মাভগবানেরস্মরণলইলেতিনিইকৃপাকরিয়াএমহামায়াহইতেমুক্তিদানকরিতেপারেন, নচেৎ অন্য উপায় নাই । তুমি সংসার বন্ধনে আবন্ধ বটে কিন্তু তোমার গুরুতো মুক্তাত্মা মহাপুরুষ । তিনিই তোমার ভববন্ধন ছেদন করিবেন । তুমি শুধু গুরুসেবা ও গুরুবাক্য হৃদয়ে ধারণ করিয়া কর্ম্মে অগ্রসর হও । তোমার আর চিন্তা কি ? ভব ভয় হারী শ্রীহরিই গুরুরূপে তোমার সম্মুখে সমাসীন ।
৫. তোমার যখন যা প্রার্থনা, জানাইতে আলস্য করিবেনা, আমি পূরণ করিব ।
৬.তোমার প্রাণ তো আমার হাতের মুঠে তাহা যাবে কি করে এই ভাবে খালি হাতে নিয়ে লাভ কি ? কিছু সম্বল করে দিব, তার পর যাবে । খালি হাতে, রিক্ত হস্তে গিয়ে কি সেখানে থাকিতে পারিবে ? সে যে বিষম ঠাঁই । খাবার পয়সা না থাকিলে, ফিরে আসতে হবে । তুমি তো এখন গুরুর অধিকারে । যাবার মত করেই পাঠাব । সম্বল কর ।
৭. আমি অব্যক্ত, নিরাকার নির্ব্বিকার হইয়াও জীবের দুঃখে কাতর, হইয়া আজ আমি সাকারে মানুষরূপে অবতীর্ণ হইয়াছি । তুমি চিন আমাকে, তোমার ইহপরকাল ভাল হইয়া যাইবে ।
৮. তোমারদোললীলারআবিরঅর্ঘ্যশ্রীচরণেপৌঁছিয়াছে ।শ্রীচরণআবিরঅর্ঘ্যপাঠাইলাম। শিরে ধারণ করিয়া অভীষ্ট ফল লাভ করো । এ সময় তোমাদের কাছে থাকিতে পারিলাম না । চেতন বিগ্রহের চরণে আবির ঢালিয়া যে কি সুখ তা ভাষায় কি জানাবো । আবিরঅর্ঘ্য গোবিন্দ জ্ঞানে ঢালিয়া থাকিলে তোমার বাসনা অবশ্যই পূর্ণ হইবে এবং তুমি যখন যা চাহিবে তাই এই চরণ হইতে পাইবে কারণ যার যেমন ভাব তার তেমন লাভ বৈষ্ণব কবি বলিয়াছেন-“কৃষ্ণ কেমন যার মন যেমন” । জ্ঞানীশ্রেষ্ঠ ভীষ্মদেব কৃষ্ণকে ঈশ্বর বলিয়াই জানিতেন আবার এ দিকে শিশুপালাদি কৃষ্ণকে ও সামান্য মনুষ্য বলিয়াই মনে করিতেন । বাবা, তাই বলি, ধর্ম্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষ সবই এই চরণে আছে-তোমার শক্তি থাকিলে লও । আমি বিলাইতেই আসিয়াছি ।
৯. এই বিশ্ব আমারই বিভূতি বা আমার প্রতিমা জ্ঞানে সকলের সেবা করিয়া যাও । স্বজনগণকে সন্তুষ্ট রাখ । প্রীতির সহিত পালন কর । মাতা পিতা গুরু ভার্য্যা । ইহারা তোমায় পোষ্যবর্গ । পোষ্য পালনে স্বর্গলাভ; পোষ্য পীড়নে নরক প্রাপ্তি ঘটে ।
১০. আমি যে ভক্তের অধিন, ভক্তের দাস, ভক্ত আমার নিকট যা প্রার্থনা করে আমি তাহাই দিয়া থাকি । তুমি নির্ভয় ও নিশ্চিত হও । আশীর্ব্বাদ করি তোমার সংশয় দূরীভুত হউক ।
১১. আমার সখা সখিদের কোন ভয় নাই । তাহারা যেন আমাকে মানুষ জ্ঞান না করে ।
১২. দ্বাপরেআমিবসুদেবেরঘরেআগমনকরিয়াআমারবাবামাকেকারামুক্তকরিয়াছিলাম ।এবারওতোমাদেরগৃহধর্ম্মপালনেরসৌভাগ্যদিয়াদেহইন্দ্রিয়াদিসবলসুস্থরাখিয়াছি।আরওঅনেককিছুকরিবারসংকল্পআছে ।
১৩. ভক্তেরপ্রাণেরপিপাসামিটানেরজন্যইআমারএঅবতার । তোমরাসরলবিশ্বাসনিয়াদিনান্তেএকবারঅন্ততঃ “জয়ব্রজানন্দ” বলেআমাকেস্মরণকরিবে । আমারআসনেপ্রার্থনাজানাবে ! আমাকেদেয়পূজাবাভক্তিআমারফটোতেদিবেবাআমারআসনেদিবে । আমিগ্রহণকরিব ।
১৪. সর্ব্বধর্ম্মবিসর্জনকরিয়াএকমাত্রআমারস্মরণলও, আমিতোমারসর্ব্বপাপদূরকরিব ।
১৫. আমি তোমার সেই ব্রজের গোপাল, আমাকে পাইলে ফিরিতে হয় না ।
১৬. আমি নির্গুণ নিরাকাররূপে এবং সগুণ সাকার রূপে চরাচর বিস্তার আছি । আমা হইতে দ্বিতীয় কেহ নাই । এই সংসারে সব উপাধিই আমার অথচ কোন উপাধিই আমার নয় ।
১৭. আমার দৃষ্টিতে শুকনা গাছে ফল ধরে ।
১৮. আমার স্মরণ যে নিয়েছে, আমার ভরষা যে করেছে তার আর বিনাশ নাই ।
১৯. আমি ফলদাতা সুফল দেব ।
২০. আমি সর্বদাই তোমাদের অন্তরে বাহিরে সর্বত্রই আছি । যখনই ঐকান্তিক ভাবে ডাকিবে সাড়া পাইবে । তোমরা কখনই নিজেদের অসহায় ভাবিও না ।
২১. ভক্তের হৃদয় বৃন্দাবনে আমার নিবাস, আমার ভক্ত চির অজেয় । তবে চাই শ্রদ্ধাভক্তি ভেজাল নয়’ ।
২২. ভক্তের বোঝা আমি বহন করিয়া থাকি ।
২৩. বাবার জীবন আমার হাতের মুঠে, যমের ভয় নাই ।
২৪. অন্তরের শ্রদ্ধাভক্তি দিয়া যে যেভাবে সে ভাবেই তার পূজা আমি গ্রহণ করিয়া থাকি ।
২৫. মঞ্জুর সম্বন্ধে তুমি আদৌ কোন চিন্তা করিবা না । মঞ্জু আমার হাতের মুঠে রহিয়াছে । আমার হাতের মুঠ ও খুলবে না, তাহার প্রাণ হানিও হবে না ।
২৬. এইজগতেসর্ব্বত্রইএকমাত্রগুরুদেবেরইলীলাখেলা । একমাত্রব্রজানন্দইজগৎব্যাপিয়াআছেন । এইজগতেযাকিছুসবই “ব্রজানন্দ” ।
২৭. আমি সর্বভূতে বিদ্যমান । আমাকে বলে যেখানে যা অর্পণ করবে তাহা আমাতেই যাবে ।
২৮. আমি তোমাদের নিজ জন । তোমাদের হৃদয়েই আছি সেখানেই তো আমাকে পাইতে পার ।
২৯. দেহের দৃষ্টিতে আমি তোমার দাস এবং আত্মার দৃষ্টিতে আমি তুমি অভেদ, এইরূপ ধারণা নিয়া জপ্‌ ধ্যান ইত্যাদি করিবে ।
৩০. আমার ভক্তের বিনাশনাই-পরাজয়ও নাই ।
৩১. তোমাদেরমরণবাঁচনসবআমারহাতে । তোমরামুক্তপুরুষ, আমারলীলারসহায়তাকরিতেশরীরধারণকরিয়াআসিয়াছ । আমিযখনআসিয়াছি, তোমরাওআমারসাথেআমারপরিষদরূপেআসিয়াছ । তোমরানির্ভয়েথাক । তোমাদেরউপরঅন্যেরকোনঅধিকারনাই ।
৩২. ভক্তের কাঙ্গাল কিনা আমি । তাই তারা আমাকে টানে, আর আমিও ভক্তের টানে থাকিতে পারি না ।
৩৩. এই চরণ পূজা করিয়া অনেকেই তো পাইতেছে । এমন না যে কেহই পায় নাই । তবে আমার বিশ্বাস আছে, আমাকে পাইলে ফিরিতে হয় না ।
৩৪. তোমার গুরুভক্তি থাকিলে শত্রু কি করিতে পারে । গুরু মেহেরবান ত চেলা পালোয়ান । আমি যারে রাখি তারে মারে কে । থাকো রাখো সাঁইয়া মারি সেকেনা ফো । তুমি নাম তলোয়ার হাতে লইয়া নির্ভয় বসিয়া থাক । তোমাদের জয় হবেই হবে ।
৩৫. এবার আমি রাধাকৃষ্ণের ভাব নিয়াই অবতীর্ণ হয়েছি । তাইতে তুমি দেখতে পাবে আমার দেহের বর্ণ কিছু কাল আর কিছু পীত, কৃষ্ণ শ্যামবর্ণ আর শ্রীমতি কাব্য বাবুরাণীর পীতবর্ণ দুই বর্ণ মিশিয়া এবার আমার দেহের বর্ণ শ্যামল পীতবর্ণ হয়েছে । এর আগের বার এসেছিলাম পৃথক পৃথক দেহে । এবার পৃথক দেহে আসি নাই দুই দেহ এক করে এসেছি ।
৩৬. বাবা, আমিই তারকনাথ । বাবা মহাদেবগুরু মহাদেব মহাপ্রেমিক । বাবা, এ চরণ শিবের চরণ, এই চরণ থেকেই চতুরবর্গ ফল লাভ হয় । ধর্ম-অর্থ-কাম-মোক্ষ সব এই চরণে । বাবা ব্রহ্মান্ডের আধার এই চরণ ।
৩৭. আচ্ছা বাবা, শিশু ভূমিষ্ঠ হলে কী করে ? আমি তা করি নাই । শিবোহহম শিবোহহম এই আওয়াজ । এই আওয়াজ ছাড়া অন্য কোন আওয়াজ জানতাম না আমি । পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত আমার স্পষ্ট মনে আছে বাবা । আমার আদিস্থান কন্যাকুজ ।
৩৮.পৃথিবী বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী চিরস্মরণী সাধক মহাপূরুষদের মধ্যে ঠাকুর ব্রজানন্দের স্থান একটু স্বতন্ত্র । কারণ তিনি নিজেই সকলের উপাস্য এবং কোন দেবতার আরাধনা করেন না ।
৩৯. পৃথিবীর বিভিন্ন ধর্ম্মাবলম্বী চিরস্মরণীয় সাধক ও মহাপুরুষগণের মধ্যে ঠাকুর ব্রজানন্দের স্থান একটু স্বতন্ত্র । কারণ তিনি নিজেই সকলের উপাস্য এবং কোন দেবতার আরাধনা করেন না । তিনি স্বয়ং সাধ্য । সাধক নন্ । অলমিতি ।
৪০. “হরে ব্রজানন্দ হরে, হরে ব্রজানন্দ হরে গৌর হরি বাসুদেব, রাম নারায়ণ হরে ।” -এই নাম আমি গোলক থেকে এনেছি । এই নামের মধ্যেই আমার পরিচয় । সত্যযুগে আমি নারায়ণরূপে, ত্রেতাযুগে রামরূপে, দ্বাপরযুগে কৃষ্ণরূপে ও কলিযুগে গৌরহরিরূপে । এখন ঘোর কলিতে পাপী উদ্ধারী ব্রজানন্দ রূপে ।
৪১. এই নাম আমি সঙ্গে এনেছি ।“হরে ব্রজানন্দ হরে, হরে ব্রজানন্দ হরে গৌর হরি বাসুদেব, রাম নারায়ণ হরে ।”
৪২. ব্রজানন্দ মানবে কৃষ্ণ, তাজা গোবিন্দ । আমাকে মনুষ্যজ্ঞান করলে সর্বনাশ হবে ।
৪৩. যাও সব নিচে আমার আসনকোঠায় । সকলে আমার সন্ধ্যারতি দর্শন করো গিয়ে । তেত্রিশ কোটি দেবতা আসে আমার সন্ধ্যারতি দর্শনে । তাদের দর্শনে, বাবা, তোমাদের কর্ম ক্ষয় হবে । যাও । তারকব্রহ্ম নাম যোগে সন্ধ্যারতি দর্শন করো গিয়ে ।
৪৪. যীশু কি বলে বাবা ? যীশু বলে, I & my sun are one. আর আমি কী বলি ? I am he.
৪৫. আমিতুলসী – চন্দনশালগ্রামশিলাচরণেলই।আমারপুরোপুরিবিশ্বাস, আমিসেই।যারএইবিশ্বাসনাঈসেভস্মহয়েযাবে।
৪৬. এইজগতেসর্ব্বত্রই একমাত্র গুরুদেবেরই লীলাখেলা । একমাত্র ব্রজানন্দই জগৎ ব্যাপিয়া আছেন । এই জগতে যা কিছু সবই ব্রজানন্দ ।
৪৭. যে চরণ পাওয়ার আশায় যোগী ঋষিরা ধ্যানে নিরবধি, সেই চরণ পেয়ে তোরা অবহেলা করিস ?
৪৮. ব্রজানন্দ সর্ব্বব্যাপক সত্ত্বা ।
৪৯ লোকনাথ তো আকাশের উপর দিয়ে হেঁটে যেত । ওর একবার খুব অসুখ করেছিল গিয়েছিলাম ওকে দেখতে । বলেছিলাম দেখ কে এসেছ তোমার সামনে । বুড়াশিব এসেছে তোমার কাছে । শোনা মাত্র ও উঠে বসেছিল । অসুখ নিরাময় হয়েছিল । দেখেছ ব্রজানন্দের লীলা ।
৫০ তিনি প্রায়ই স্বীয় পরিচায়ক ধ্বনি দিতেন – “বোল্‌ একবার সব কা বানানাওয়ালা আদিপুরুষ ভগবান ব্রজানন্দ জীউ কী ।” “বোল্‌ একবার অযোনী স্বয়ম্ভু ভগবান ব্রজানন্দ জীউ কী ।” “আমি তো নিরাকার ছিলাম । সাকার হলাম হুংকার দিলাম । এই তোমাদের ওঁকার ।”
৫১ এই লীলার উদ্দেশ্য জীব কল্যাণ । আমার সবকিছু খাওয়া-উঠা-বসা জীবের কল্যাণের জন্য ।
৫২ বাবা, যেখানে ব্রজানন্দের মহিমাকথা বলবে, সেখানে তার ও তোমার মাঝে আমি হাজির থাকবো ।
৫৩ আমি যা তাই বলি । আমি শিব শিবের প্রকাশক । আমি তাই বলি । আমি শিব ছাড়া কি বলবো ।
৫৪ আক্কেল কো দখল্‌ নেহী । তোমার বুদ্ধি বিচার দিয়ে ব্রজানন্দকে কিছুতেই বুঝতে পারবে না ।কিছুতেই বুঝতে পারবে না ।
৫৫ এই জগতে যা কিছু সবই ব্রজানন্দ । একমাত্র ব্রজানন্দেরই লীলা খেলা এই জগৎ ।
৫৬ আমার আরেক নাম পশুপতিনাথ ।
৫৭ ধর্মাচরণ আর জীবহিতেই আমার এবার আবির্ভাব ।
৫৮ বাবা যত যাবে সব ফাঁকা । সব ফাঁকা । ব্রহ্মা বিষ্ণু মহেশ্বরকেও আমার আরাধনা করতে হয়েছে ।
৫৯ ব্রজানন্দের চরণ শিবের চরণ ।
৬০ হ্যাঁ বাবা, স্বয়ং ব্রহ্ম তোমার সামনে । কোন সময় ভুলিও না, আমি কে ।
৬১ ব্রজানন্দের নামে জম পালায় । ব্রজানন্দের অপার লীলা । বুঝলনারে যোগী ঋষি ।
৬২এই বৃক্ষআদি জীবকূল যা দেখছো , সব আমারই সৃষ্টি । আবার সব আমতেই লয় হবে । তাই আমার এক নাম বিশ্বনাথ ।
৬৩ রামকৃষ্ণ পরম হংসদেব প্রসঙ্গে একদিন বলছিলেন –আমিই তো শাখা প্রশাখায় ওদের মধ্যে ছড়িয়ে আছি । ওরা তো আমারই নাম করে ।
আমারই প্রচার করে ওরা ।
৬৪ বাবা তোমরা এসেছ । আমি খুব খুশি হয়েছি । তোমরা আল্লাহ্‌’র কাছেই এসেছ বাবা । যে ফকির থেকে তফাৎ সে আল্লাহ্‌’র থেকে তফাৎ ।
আমি আল্লাহ্‌’র কাছ থেকেই এসেছি । যে তোমাদের আল্লাহ্‌, সে-ই তোমাদের এই ব্রজানন্দ রসুল্লাহ্‌ । বুঝলে বাবা সকল ?
৬৫ আমি একা ছিলাম । বহু হইবার ইচ্ছা হইল । হুংকার দিলাম । এটাই আদি বাক্য । ওঁকার । আগে ব্রজানন্দ । তারপর ব্রহ্মা বিষ্ণু মহেশ্বর । তারপর তেত্রিশ কোটি দেবতা । তারপর তোমরা, বুঝলে বাবা ।
৬৬ ওঁ ব্রজানন্দের একটা নাম । এর থেকেই ব্রহ্মান্ডের সৃষ্টি ।
৬৭ কৃষ্ণের পূর্ণ কান্তি নিয়ে এসেছি ।
৬৮ আমি স্বয়ং ভগবান । এবারের ঘোরকলিতে বুড়াশিব আমার মর্ত্যপরিচয় । আমি এবার আবার এসেছি জীবের দুঃখ মোচন করতে । প্রেম ও শান্তির বাণী প্রচার করতে ।
৬৯ যখনই ধর্মের গ্লানি হয় এবং অধর্মের অভ্যুদয় ঘটে, তখনই আমি অবতীর্ণ হই- ধর্মরক্ষার জন্যে, পাপীদের বিনাশকল্পে এবং সত্য ও ধর্মের পুণঃ প্রতিষ্ঠার জন্যে আমি যুগে যুগে কায়া ধারণ করে পুণঃ পুণঃ আবির্ভূত হই । আমি স্বয়ং বুড়াশিব ।
৭০ব্রজানন্দ নারায়ণ । যা তা না । আমি অযোনীস্বয়ম্ভু । ব্রজানন্দ সবকা বানানাওয়ালা আদি পুরুষ । ব্রজানন্দ পরমেশ্বর স্বয়ং ।
৭১আমি যা, তাই বলি । আমি শিব । ব্রজানন্দ ভূতনাথ ।
৭৩ ব্রজানন্দ বহুরুপী ।
৭৪ দ্বাপরের সেই লীলা বহুযুগ আগে ছেড়ে এসেছি । এবার জীবতরাতে বৈকুন্ঠ থেকে ব্রজানন্দ মহানাম নিয়ে এসেছি । কলির শেষে পাপী উদ্ধারী ব্রজানন্দ । এবার ব্রজানন্দ মহানামের অক্ষয় বীজ বপন করেছি । এই নাম একদিন মহীরুহ হয়ে ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়বে ।
৭৫ আমি মানবে কৃষ্ণ ।